আন্তর্জাতিক ফুটবল

দ্বিতীয়বারের মত কভিড-১৯ পজেটিভ দিবালা ও তার বান্ধবির

শরীরে দ্বিতীয়বারের মতো করোনাভাইরাসে ধরা পড়েছে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার পাওলো দিবালার

শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকেই কোয়ারেন্টিনে ছিলেন আর্জেন্টিনার তারকা স্ট্রাইকার পাওলো দিবালা। কিছুদিন আগে জানা গেল, করোনামুক্ত হয়েছেন তিনি। তিন দিন যেতে না যেতেই আবারও কোভিড-১৯ টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন পাওলো দিবালা ও তাঁর বান্ধবী ওরিয়ানা সাবাতিনি।

দ্বিতীয়বারের মতো কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর জানিয়েছেন দিবালার বান্ধবী সাবাতিনি। ইংলিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা স্বীকার করেছেন তিনি, ‘নতুন তথ্য দিতে এসেছি আপনাদের, কারণ অনেকেই আমাকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করছেন। মার্চ মাসের একুশ তারিখে আমি ও আমার সঙ্গী পাওলো দিবালার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। কোভিড-১৯ পরীক্ষায় দুজনের ফলাফলই পজিটিভ আসে।’

দুজনেই ১৫ দিনের কোয়ারেন্টিন কাটিয়ে আবারও পরীক্ষা করিয়েছিলেন। ফল নেগেটিভ এসেছিল। খুশির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হানা দিল দুঃস্বপ্ন। তৃতীয়বারের পরীক্ষায় আবারও পজিটিভ হয়েছেন দিবালা ও তাঁর বান্ধবী।

গোটা প্রক্রিয়াটা ব্যাখ্যা করেছেন সাবাতিনি, ‘তিন দিন আগে আমরা আবারও কোভিড পরীক্ষা করাই। সেবার ফলাফল নেগেটিভ আসল। কিন্তু গতকাল সকালে তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষা করাতে গিয়ে আবারও আমাদের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। কোভিড টেস্টের ফলাফল পজিটিভ এসেছে।’

শরীরে করোনা নেই ভেবে চিন্তাহীন ভাবে থাকা যাবে না, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবাতিনি, ‘আমি জানি না কী কী করলে ফলাফল পজিটিভ হয় বা নেগেটিভ হয়। আমি জানি না আমাদের ফল নেগেটিভ কেন আসল, পজিটিভই বা কেন আসল। আমার মনে হয় কেউ যদি মনে করেন তিনি করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে গিয়েছেন, তাঁর আরেকবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করার দরকার শতভাগ নিশ্চিত হওয়ার জন্য।’

করোনাভাইরাস কীভাবে আটকানো যায়, সে ব্যাপারে গোটা মানবজাতির হাহাকারই যেন ধ্বনিত হয়েছে সাবাতিনির কণ্ঠে, ‘আমাদের দ্বিতীয়বারের মতো পজিটিভ হওয়া এটাই প্রমাণ করে, যে এই ভাইরাসটা সম্পর্কে আমরা কত কম জানি। আগে ভেবেছিলাম আমরা দিবালার সতীর্থ দানিয়েলে রুগানি দ্বারা আক্রান্ত হয়েছি। কিন্তু এবার আমি কোনো কিছু বুঝতে পারছি না। ১৫ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ করার পর এই ভাইরাসের আর থাকার কথা না।’

তবে আশার কথা এই যে, সুস্থ আছেন দিবালা এবং তাঁর বান্ধবী, ‘যা হোক, আমরা এখন সুস্থ আছি। সবাইকে বলব, ঘরে থাকুন। অন্তত ১৫ দিনের জন্য হলেও।’

সুত্রঃ প্রথম আলো

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ

To Top