‘নিউজিল্যান্ডকে ওদের মাটিতে হারানো অনেক কঠিন’

খেলাধুলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৯, ২০১৬
  আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।  আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

বৃহস্পতিবার রাতে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ দল উড়েছে অস্ট্রেলিয়ায় ১০ দিনের অনুশীলন ক্যাম্প করতে। শুক্রবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনাল। সেটা শেষ করে শনিবার মাশরাফির নেতৃত্বে উড়বেন সাকিব-তামিমসহ দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা বাকি ক্রিকেটাররা। যাওয়ার একদিন আগে শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

দেশের বাইরে সিরিজ কতটা চ্যালেঞ্জিং?

সত্যিকার অর্থে, আমরা শেষ বছর ম্যাক্সিমাম সব ম্যাচই হোমে খেলেছি। ম্যাক্সিমাম ম্যাচও আমরা জিতেছি। আমরা এক-দুই-দেড় বছর আগে যে টার্গেট করেছি, হোমে অ্যাটলিস্ট ৮০ ভাগ ম্যাচ জেতা। আল্লাহর রহমতে আমরা সে জায়গায় সফলতা পেয়েছি। এখন ভিন্ন চ্যালেঞ্জ যে হোমের বাইরে গিয়ে খেলা। আপনারা জানেন যে এটা চ্যালেঞ্জিং। অনেক প্রতিষ্ঠিত দলের জন্যও এটা চ্যালেঞ্জিং। সেক্ষেত্রে আমাদের জন্য আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং। আর নিউজিল্যান্ডের আবহাওয়া অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে ভিন্ন। মনে করি একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে। আমরা আত্মবিশ্বাস নিয়ে যেভাবে খেলেছি, আমরা মোমেন্টামটা ওখানে নিতে পারি, ভালো খেলার স্মৃতি গুলো যদি ওখানে নিতে পারি, জাতীয় দলে যেভাবে খেলেছি ওই আত্মবিশ্বাস নিয়ে যদি খেলতে পারি তাহলে মনে হয় ভালো ফল আসবে। ভিন্ন কন্ডিশন হলেও আশা করছি ভালো হবে।

কন্ডিশনিং ক্যাম্পটা নিউজিল্যান্ডেই করা যেত কী?

হয়তোবা করা যেত। আমি যেটা শুনেছি নিউজিল্যান্ডে ওই সময়ে সুযোগ পাওয়া যায়নি। আমি নিজেও নিশ্চিত না। খেলার মধ্যে ছিলাম। তাই অস্ট্রেলিয়ায় করা হয়েছে। তবে উদ্যোগটা খুবই ভালো। অ্যাটলিস্ট আমরা কাছাকাছি কোথাও চেষ্টা করছি। উদ্যোগটা খুবই ভালো। নিউজিল্যান্ড সব সময়ই ভালো। কিন্তু হয়তোবা দেখা গেল ওদের সুযোগ-সুবিধাগুলো আমাদেরকে দিতে পারছে না। তখন আসলে কিছু করার থাকে না।

হোমে এটা হিসেবে আনা হয়েছিল কারণ, একটা ভালো দল কিংবা আপকামিং দল ম্যাক্সিমাম ম্যাচ তাদের হোমে জিতে। এবং লিমিটেড কিছু ম্যাচ হয়ত বাইরে জিতে। তখন এটা কাউন্ট করে একটা ভালো পাস্টেন্টেজ বছরে আছে। তখন পয়েন্টের গ্রাফটাও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। এটা আমাদের ফোকাস ছিল যে আমরা ম্যাক্সিমাম ম্যাচ যেন জিতি দুই বছরে। বাইরে, আসলে প্রতিষ্ঠিত দলগুলোরও বাইরে জিততে কঠিন হয়ে যায়। নিউজিল্যান্ড এখানে যখন আসবে তখন অবশ্যই এটা তাদের জন্য কঠিন। আমরা যখন যাব তখন আমাদের জন্য কঠিন। সব কিছুই আলাদা। তারপরও আমরা চাইব ম্যাক্সিমাম ম্যাচ জিততে। তবে এটা বলাও যেমন কঠিন করাও ততটাই কঠিন। আমরা চেষ্টা করব অ্যাডজাস্ট করে...এখনও আমরা নতুন, ওই রকম পরিস্থিতিতে এখনও আমরা নতুন। আমাদের মাইন্ড সেট আপ এখন ভিন্ন। আগে যেরকম ছিল এখন আমাদের সেটা নেই। আমরা যেখানেই খেলি সেখানেই জিততে হবে সেটা চাওয়া থাকে, মানুষের প্রত্যাশা থাকে। ওই জায়গা থেকে আমরা ভালো কিছু চেষ্টা করব। আমি যদি বলি তাহলে কেন ৫০ শতাংশের বেশি হবে না? যারা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট তারা সবাই বুঝে এটা অনেক কঠিন কাজ। তবে আমরা চেষ্টা করব।

ক্যাম্প, প্রস্তুতি ম্যাচের সুযোগের সুবিধা কতটুকু?

ওখানে কাজ করতে সুবিধা হবে। পুরো একটা টিম থাকব পরিবারের মত। সবাই সবার সঙ্গে থাকব। একসঙ্গে অনুশীলন হবে। কার কি সমস্যা হচ্ছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা। সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে। সমস্যাগুলো শেয়ার করা যাবে। ভালো জিনিসগুলো আলোচনা হবে। এটা কাজ করতে সুবিধা করবে। ২০১৫ সালের আগে ১৫ দিনের একটা ক্যাম্প হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। ওটা কিন্তু আমাদের কাজে দিয়েছে। অনুশীলন ম্যাচ একটাই কিন্তু আমরা হেরেছিলাম। তারপর শেষ বিশ্বকাপের কথা যদি বলেন আমরা চিটাগং ও খুলনাই ক্যাম্প করেছি। হয়ত কন্ডিশন ভিন্ন ছিল। আপনারা যদি দেখেন আমরা প্রথম রাউন্ডটা ভালো খেলেছি। দ্বিতীয় রাউন্ডেও ভালো করার সুযোগ ছিল, ছিল না যে তা না। সো ফার আমাদের জন্য এটা কাজ করেছে। এটাও কাজ করবে। যদি কন্ডিশন ভিন্ন। কাজ করবে।

 চলমান নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ...

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের খেলা দেখছি। হয়তোবা ওখানে গিয়ে এগুলো আরও রিভিউ করা হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ওদের পার্টিকুলার ব্যাটসম্যান কিংবা বোলারদের জায়গাগুলো দেখতে পারি।

পেস বোলারদের ইনজুরি কতটা ভোগাতে পারে বাংলাদেশকে?

ইনজুরি পার্টিকুলার প্লেয়ার কিংবা দলের জন্য সবসময়ই খারাপ। আমরা এখন প্রায়ই শুনি যে আমাদের ব্যাকআপ প্লেয়ার এখন অনেক। কিন্তু আমি ব্যাকআপ প্লেয়ার দেখি না। আমার চোখে ব্যাকআপ প্লেয়ার নেই। কারণ আপনি যদি সাকিবের সঙ্গে কাউকে রিপ্লেস করতে চান, প্লেয়ার নাই। তামিমের রিপ্লেস করতে গেলে কঠিন। শফিউল অবশ্যই অনেক ভালো ফর্মে ছিলো। এটা অবশ্যই আমি মনে করি আমাদের জন্য অনেক খারাপ এবং পার্টিউকুলার প্লেয়ারের জন্যও অনেক খারাপ। তো আমাদের আস্তে আস্তে ব্যাকআপ প্লেয়ার তৈরি হচ্ছে, সো ওই লেভেলে আসতে একটু সময় লাগবে। এই মোমেন্টে তাদের ইনজুরিগুলো অবশ্যই ইফেক্ট করে। বিশেষ করে যারা টপ ফর্মে আছে তাদের ইনজুরিগুলো অবশ্যই ইফেক্টিভ। মুস্তাফিজকে যদি দেখেন তাকে ইংল্যান্ড সিরিজে আমরা ইনজুরির কারণে পাইনি।কিছু না কিছু ক্ষতি হয়েছে। আমরা হয়তো দুইটা টেস্টই জিততে পারতাম তাকে পেলে। হয়তো বা ওয়ানডে সিরিজটিও জিততে পারতাম। সো এই জায়গাগুলো অবশ্যই আমাদের বেস্ট প্লেয়ারগুলো ঠিক থাকা অবশ্যই জরুরি। তারপরও আমি বলবো যে, মুস্তাফিজ এখনো ফিটের পথে আলহামদুলিল্লাহ। যদিও আমি জানি না পুরোপুরি কি অবস্থা, তবে পুরোপুরি বোলিং শুরু করেছে। আমার সাথে কালকেও কথা হয়েছে এখন মোটামুটি ভালো। এখনও কিছু সময় আছে। সব মিলিয়ে যদি ও সুস্থ হয়... বাট আরো দুজন ইনজুরড হয়েছে (হাসি)... এখন অ্যাডজাস্ট করতে হবে আর কি।

শেষমূহুর্তে মেহেদি মারুফের অস্ট্রেলিয়া যাত্রাকে কিভাবে দেখছেন? নাজমুল হাসান শান্তকে দেখে কেমন লাগলো?

এটা ধরেন টেকনিক্যাল ব্যাপার। আমার চেয়ে তাদেরকে যারা দলে নিয়েছেন তারা ভালো বলতে পারবেন, কোচ ভালো জানেন। আর নাজমুল ভেরি প্রমিসিং। আমি এটুকু বলতে পারি। বিপিএল দিয়ে একটা প্লেয়ারকে কাউন্ট করা খুব ডিফিকাল্ট। বাট আমি এটুকু বলতে পারি ও অনেক প্রমিসিং। আমার বিশ্বাস ওর মধ্যে অন্যরকম একটা স্পিড আছে যেটা কাছ থেকে দেখে আমার মনে হয়েছে। ওইটা যদি কন্টিনিউ করতে পারে তাহলে আমার মনে হয় যে ও ভালো প্লেয়ার হবে। টু বি অনেস্ট আমি ইয়াং লেভেলে যে কজন ক্রিকেটার দেখেছি তার মধ্যে ওকে আমার সবথেকে প্রমিসিং মনে হয়েছে।

আর মারুফের সাথে আমি কখনও খেলিনি। কিন্তু বিপিএলে ও অনেক ভালো খেলছে। সে হিসেবে ও যাচ্ছে। আশা করি সেও ভালো করবে ওখানে গিয়ে। কারণ, এখানে যেহেতু ভালো খেলছে। অবশ্যই কন্ডিশন, ফরম্যাট যা-ই বলেন পুরা ডিফিরেন্ট। তবে নিজের কনফিডেন্ট ধরে রাখতে পারলে অবশ্যই ও ভালো করবে।

বিপিএলে সাকিবের পারফরম্যান্সের শতভাগ দিতে না পারাটা কি এক ধরণের আক্ষেপ? আর  সৌম্য সরকারের অফফর্মও নিয়ে কি ভাবছেন?

সত্যি কথা বলতে কি, সাকিব ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটের টপ লেভেলের ক্রিকেটার, এটা নিয়ে কোন ডাউট নেই। ওর মতো ক্রিকেটারের কাছে যেটা হয়, সবসবময় টপ লেভেলের পারফরম্যান্সের এক্সপেক্টেশন থাকে। কিন্তু সবসময় ওই লেভেলের পারফর্ম করা কঠিন। সবধরণের প্রেশারই ওর ওপর থাকে। তাছাড়া এখন একটা দলের ক্যাপ্টেন্সি করছে। বিগ টিম অর্থাৎ, বিপিএলের সবথেকে বড় টিমের ক্যাপ্টেন্সি করছে। সেটার রেজাল্ট নিয়ে একটা প্রেশার। সো, ওই জায়গা থেকে সাকিবের উপর যে এক্সপ্টেক্টেশন্স থাকে, সে হিসেবে সবসময় ওই লেভেলের পারফর্ম করাটা বেশ কঠিন। বাট ও সবসময় নিজেকে প্রুভ করেছে, রাইট টাইমে প্রুভ করেছে। আর ন্যাশনাল টিমের ক্ষেত্রে হি ইজ অলয়েজ বেস্ট। এখানে কোন সন্দেহ নেই যে ও ভালো করতে পারবে কিনা। কিন্তু এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই। নিউজিল্যান্ডে অবশ্য ওর বলে এখানকার মতো টার্ণ স্লোয়ার এগুলো হবে না। বাংলাদেশের উইকেটেও অতটা টার্ন হয় না (হাসি)... যেগুলো হয় স্লো-পেস ভ্যারি করে। এই জিনিগুলো অনেক কঠিন হবে। আমার বিশ্বাস ও কামব্যাক করবে।

আর সৌম্য সরকার... হ্যা, ও লাস্ট দেড়বছর ওভারে রান করতে পারেনি। কোন ফরম্যাটেই হয়তো বা রান করতে পারেনি। কিন্তু একটা বড় রান বা বড় ইনিংস ওকে চেঞ্জ করে দিতে পারে।

নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে টেস্টে ফিরবেন?

আমার কাছে মনে হয় যে জিরো পারসেন্ট। প্রথমত, সবকিছুরই একটা বিষয় থাকে যে আমাকে কিছু ফোর ডে ম্যাচ খেলা উচিত। তাছাড়া কাউকে না কাউকে প্রুভ করতে হবে। নিজের কাছেও বুঝতে হবে কেমন করছি না করছি। তো এইগুলা আসলে না হওয়া পর্যনত আমি বলতে পারি না যে খেলতে চাই। সেটাও হয়তো বা অন্যায় হবে।

দেশের বাইরে সিরিজ; সিনিয়র হিসেবে দায়িত্বটাও তো বেশি...

প্রথমত, আমরা এওয়ে খেলি আর হোম; সবসময়ই সিনিয়র প্লেয়ারদের একটা প্রভাব থাকে। সো, রোলটা থাকবেই। চেষ্টা করবো জুনিয়র যারা আছে তাদেরকে যেন সিনিয়ররা হেল্প করতে পারে। একই সঙ্গে ডিফিকাল্ট টাইমে যেন স্টেপআপ করতে পারে। তবে হ্যা, কঠিন ওইটায় যে কন্ডিশন। এখানে ধরেন সাপোর্টার থাকে অনেক। সেক্ষেত্রে জুনিয়ররাও অনেক সময় ফ্লো পেলে অ্যাডজাস্ট করে ফেলতে পারে। কারণ সবকিছুই নিজেদের দিকে থাকে। কিন্তু বাইরে সবসময় এগুলো আলাদা থাকে। আপনি যখন খেলবেন, মাঠের বাইরে থেকে যখন সাপোর্টাররা যেটা করে, সেটা পাবেন না তখন কাজগুলো কঠিন। অবশ্যই বাইরে এই কাজগুলো কঠিন। তবে আমাদের জুনিয়ররা মেন্টালি অনেক স্ট্রং, যতটুকু কাছ থেকে দেখেছি। তারা ব্যাটিং বোলিং দুটই করে। তারা হয়তো বা হিসেবে জুনিয়র কিন্তু ক্রিকেটে তারা অনেক সময় সিনিয়রদের রোল প্লে করে। রোল প্লে করাটাও অনেক কঠিন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই হোয়াইটওয়াশের স্মৃতি কী একটু এগিয়ে রাখবে বাংলাদেশকে?

না, অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের রেজাল্টের হিসাব আমাদের সাথে করে লাভ নেই। কারণ অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের নাম্বার ওয়ান দল। তাদের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড হারছে আর আমরা নিউজিল্যান্ডের সাথে খেলতে যাচ্ছি; এর সাথে কোন মিল নেই।

কন্ডিশনের কারণে বাংলাদেশের স্পিন  আক্রমণ কাজে দেবে না। আর সাথে নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণও খুব ভাল...

আমি মনে করি, চ্যালেঞ্জটা সব জায়গাতেই কঠিন। যেমন আপনি যেটা বললেন টপ অর্ডার ব্যাটিং, টোটাল ব্যাটিং অর্ডারটাই যদি বলেন একই বোলিং বলেন, ওইখানে আমার যতদূর  মনে হয় ৩০০-৩৫০ স্কোর থাকবে, করতে হবে। আমাদের একটা ধারণা আছে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড-সাউথ আফ্রিকা মানে সিমিং কন্ডিশন; এটা পুরোপুরি ভুল। হয়তো বা টেস্টে কিছুটা থাকতে পারে। তবে সেখানে আমরা বাংলাদেশে যেটা করি, আমরা এতো রানের বেশিদূর যেতে পারবো না, সেক্ষেত্রে বোলিং-ব্যাটিং দুইপক্ষকেই ভাবতে হবে যেন এই রান পর্যন্ত করা যায় কিংবা এতো রানের মধ্যে বেঁধে ফেলা যায়। তাহলে সিকিউর থাকা যাবে। সো, চ্যালেঞ্জটা আসলে সবজায়গায় থাকে। আর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ যেটা থাকে আমরা সবাই জানি নিউজিল্যান্ডের বাতাস অ্যাডজাস্ট করতে পারা। ওভারঅল আমরা একটা ম্যাচ খেলতে নামি জেতার জন্যই। ওই ম্যাচটা জিততে গেলে আমরা হোমে যতটুকু না এফোর্ট দিয়ে জিততে পারি কিংবা ভুল হলে রিকভার করতে পারি, ওখানে আমরা সেটা করতে পারবো না বলে আমার মনে হয়।

নিউজিল্যান্ডকে ওদেরই মাটিতে কী বাংলাদেশের পক্ষে হারানো সম্ভব?

এটা আসলে বলা খুব কঠিন। নিউজিল্যান্ডকে ওদের মাটিতে হারানো অনেক কঠিন। অনেক বড় বড় দলও পারে না। তবে আমরা বলছি না আমরাও পারবো না। ভালো খেলতে পারলে সেটা সম্ভব। কিন্তু কাজটা অনেক কঠিন, সেটাও ঠিক।

Share on your Facebook
Share this post