‘এই সময়ে কাউকে কোনো দোষ দিয়ে তো লাভ নেই’

খেলাধুলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৬, ২০১৬
 টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

এলিমিনেটরে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে তিন উইকেটের ব্যবধানে হেরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) থেকে বিদায় নিল চিটাগং ভাইকিংস। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

কতটা হতাশ?

এখন আসলে টুর্নামেন্ট শেষ। বলার আসলে অনেক কিছুই আছে। তবে এই সময়ে কাউকে কোনো দোষ দিয়ে তো লাভ নেই। আমি কালকেও কথাটা বলেছিলাম যে, যেভাবে আমরা কামব্যাক করেছি, খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি অনেক গর্বিত। আমরা ব্যাটিংয়ে ২০ রান কম করেছি, বোলিংয়েও কিছু ভুল হয়েছে। দিন শেষে এটাই বলব যে, খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি গর্বিত। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি।

টার্নিং পয়েন্ট কি ছিল?

টার্নিং পয়েন্ট এখানে অনেক গুলোই থাকতে পারে। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে পয়েন্ট আউট করে দেওয়া আমি মনে করি না ঠিক। গ্রুপ হিসেবে আমরা হয়তো ব্যাটিং আর একটু ভালো করতে পারতাম। বোলিয়েও আরও ভালো করতে পারতাম।

ব্যক্তিগত পারফর‍ম্যান্স

ব্যক্তিগত পারফর‍ম্যান্সের কথা যদি বলেন আমি হ্যাপি। টুর্নামেন্টে যেভাবে খেলেছি। রান প্রায় ৪০০ (আসলে ৪৭৬)। এটি অসাধারণ। যে ধরনের ব্যাটিং আমি করেছি ওটা নিয়ে খুশি। তবে দিন শেষে রান গুলো যদি দলকে জেতাতে সাহায্য না করে এটার কোনো মূল্য নেই। তবে যেভাবে খেলেছি তাতে আমি খুশি। যদি আরো ১০ ভাগ বেশি ভালো করতাম, আজকে আমি আরো একটু ভালো খেললে হয়তো ১০ রান বেশি হতো।

নিজে ভালো খেলে ট্রফি জিততে না পারার হতাশা

আমার কাছে মনে হয় আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়রা টিম থেকে যদি আরেকটু সাপোর্ট করত তাহলে আমরা আরেকটু ভালো পজিশনে থাকতাম। আমাদের এই জায়গায় একটু গ্যাপ রয়ে গেছে। তবে ওরা ট্রাকে আছে। হয়ত হয়নি। ব্যাটিংয়ে যদি আমরা আরেকটু সাপোর্ট পাইতাম...প্রতিদিন তো আর আমি আর বিদেশিরা ভালো করবে না। অন্য দল গুলো যদি দেখেন ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, ওদের স্থানীয় খেলোয়াড়রা অনেক সাপোর্ট হয়ে যায়। এই জায়গায় আমাদের একটু ঘাটতি ছিল। তবে ওদের ডেডিকেশনের প্রতি আমার একটা বিন্দুও সন্দেহ নেই। ওরা ওদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। দুর্ভাগ্যক্রমে হয়নি।

ইমরান খানের না থাকা

আমার মনে হয় আমরা ভুল করেছি। আমরা ওকে খেলাতে পারতাম। তবে এটা টিমের সিদ্ধান্ত। আমার কাছে মনে হয় আমরা ওকে খেলাতে পারতাম।

গেইলের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা

এটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা। যে বলগুলো সাধারণত পৃথিবীর যেকোনো ব্যাটসম্যানরা এক বা দুই নেয়, ওগুলো ও ছয় মেরে দেয়। আমার জন্য একটু দুর্ভাগ্য হয়ত আমি বেশি দেখতে পারিনি। তবে যতটুকু দেখছি সেটা ছিল দুর্দান্ত। ক্রিকেট এমন একটা জিনিস আপনি যত বড় খেলোয়াড় আনেন না কেন, পারফরম্যান্স হবে কী হবে না, এটার গ্যারান্টি নাই। ওর আচরণ যেটা ছিল আমি হ্যাপি। ও মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছে। সব ধরনের সাহায্য করার চেষ্টা করেছে। যেটা আমরা আশা করেছি সেটা হয়ত হতে পারেনি। তবে ওটা নিয়ে আমি আপসেট না। ১১ জনের আরো ১০ জন ছিল, ওরাও ভালো করতে পারতো।

Share this post