রামোস - শেষ মিনিটের ওস্তাদ

রিমন ইসলাম
ডিসেম্বর ৫, ২০১৬
 ‘ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে’ ‘ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে’

আমাদের দেশের অনেক জনপ্রিয় একটি প্রবাদ - ‘ওস্তাদের মাইর শেষ রাইতে’। প্রবাদটির কোন স্প্যানিশ ভার্সন আছে কিনা তা আমার জানা নেই। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্ডার সারজিও রামোস দিন দিন যেন এই প্রবাদটির সমার্থক শব্দে পরিণত হয়ে যাচ্ছেন। শুধু ‘মাইর’ শব্দটির জায়গায় বসাতে হবে ‘মিনিট’ কে। কিভাবে? চলুন মিলিয়ে দেখা যাক রামোসের ‘শেষ মিনিটের ওস্তাদ’ হয়ে ওঠার গল্পটি।

পর্তুগারের রাজধানী লিসবন থেকে বার্সেলোনার ন্যু ক্যাম্পের দুরত্বটা শত শত মাইলের। আর ৯২:৪৮ মিনিট সময় থেকে ৮৯:৪৮ মিনিট সময়টার ব্যবধান মাত্র তিন মিনিটের। কিন্তু, সবকিছু যেন মিলেমিশে একাকার শুধু একটি নামে। তিনি সারজিও রামোস। যিনি দুটি ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ম্যাচকে স্বমহিমায় একই সুতোয় গেঁথেছেন। প্রথম ম্যাচটি ছিল ২০১৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল এবং দ্বিতীয় ম্যাচটি সদ্য সমাপ্ত 'এল ক্লাসিকো'র।

একটিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এথলেটিকো মাদ্রিদ ছিল প্রথম চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় থেকে কয়েক সেকেন্ড দূরত্বে এবং অপরটিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ছিল লা লীগার শিরোপার রেসে ফিরে আসার দারপ্রান্তে। কিন্তু দুদলের মাঝেই ব্যবধান হয়ে দাঁড়ান রিয়াল মাদ্রিদের সারজিও 'দ্যা গ্ল্যাডিয়েটর' রামোস। কাকতালীয় কিছু মিলও রয়েছে দুটি ম্যাচের মধ্যে। লিসবনে সেদিন কর্নার কিকটি নিয়েছিলেন মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ। ন্যু ক্যাম্পে ফ্রি-কিকটিও তারি নেয়া। দুটি গোলই রামোস দিয়েছেন হেডের সাহায্যে এবং পোস্টের বাঁ দিকে। আর রামোসের গোলের আগ পর্যন্ত উভয় ক্ষেত্রেই স্কোরলাইনটাও ছিল ০-১!

লিসবনের ফাইনালে ওরকম সময়ে গোল দিয়ে দলের ত্রাতার ভুমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার পর অনেকের কাছেই রামোসের যোদ্ধাসুলভ দিকটি নতুন করে উম্মোচিত হয়েছিল। কিন্তু যারা রিয়াল মাদ্রিদের পুরনো ভক্ত কিংবা শুরুর দিনগুলো থেকে চেনেন রামোসকে, তারা ঠিকই জানেন রামোস কেন সাধারনের মাঝেও অসাধারন। খেলেন ফুটবল, কিন্তু তার রক্তে যেন মিশে আছে স্প্যানিশ গ্ল্যাডিয়েটরদের যুদ্ধাংদেহী মনোভাব। অন্যরা হাল ছেঁড়ে দিলেও যিনি যুদ্ধের ময়দানে একাই শেষ বিন্দু দিয়ে লড়ে যান।

রামোসকীর্তি শুধু এই দুটি ম্যাচেই সীমাবদ্ধ নয়। লিসবনের সেই ফাইনালের আগে ও পরে আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন রামোস শুধু হেডের মাধ্যমেই। ২০০৬ সালে ৩-৩ গোলে ড্র হওয়া এল ক্লাসিতোতে দলীয় হেড থেকে দলীয় তৃতীয় গোলটি করেন রামোস। যা ছিল তার প্রথম এল ক্লাসিকো গোল।

এরপর একটা লম্বা সময় ধরে গোলের দেখা পেলেও সেভাবে আর বড় উপলক্ষে গোল পাননি তিনি। সেজন্যই হয়তো ২০১৪ সালটিকে তিনি বেছে নেন একের পর এক গোল করার জন্য। শুরুটা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে। প্রথম লেগে ১-০ গোলের জয় পেলেও খেলাটা আলিয়াঞ্জ এরিনাতে ছিল বলেই ফেভারিট হিসেবে ধরা হচ্ছিল বায়ার্ন মিউনিখকে। কিন্তু সব হিসাব নিকাশ বদলে দেন রামোস।

দু’টি ফ্রি-কিক থেকে হেড থেকেই দুটি গোল দিয়ে আলিয়াঞ্জ এরিনাকে স্তব্ধ করে দেন তিনি। অথচ এই ম্যাচের আগে টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ থেকে তার গোলসংখ্যা ছিল মাত্র শুন্য! পরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আরো দুটি গোল দিয়ে বায়ার্নকে ৪-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজয়ের স্বাদ দেন। কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই রামোসের গোল দুটিই কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিল পেপ গার্দিওলার দলকে।

এরপর ফাইনালে এথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ইনজুরি টাইমের সেই গোল। মাঝে কেটে গেল কয়েক মাস। ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের সেমিফাইনালে ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে এবং ফাইনালে সান লোরেনজোর বিপক্ষে দলের পক্ষে প্রথম গোলও আসে রামোসের 'মাথা' থেকেই!

মাঝে এক বছর বিরতি। পরবর্তী উপলক্ষ চলতি বছরের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল এবং আবারো প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে এবার রামোসের হেড থেকে গোল করার ধারাবাহিকতায় কিছুটা ছেদ পরলো। প্রথমেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ঠিকই, তবে এবার গোলটি আসে তার পা থেকে। অবশ্য হেড করার সুযোগই যে পাননি তিনি। বেরসিক গ্যারেথ বেল আগেই হেড করে বলটি এমনভাবে রামোসের কাছে পৌঁছে দেন যা থেকে আলতো ছোঁয়ায় বলটি জালে জড়ানো ছাড়া যে আর কোন উপায় ছিলনা তার সামনে!

তবে খুব শীঘ্রই হেড থেকে গোল দেয়ার ধারাবাহিকতায় ফিরেছেন। এই মৌসমের শুরুতে অনুষ্ঠিত উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালে সেভিলার বিপক্ষে দলীয় প্রথম গোলটি করেন রামোস। যথারীতি হেড থেকে আরেকটি দুর্দান্ত গোল। আর সর্বশেষ এল ক্লাসিকোতে সেই ধারাবাহিতা বজায় রাখার পাশাপাশি আবারো হয়ে উঠলেন 'শেষ মিনিটের ওস্তাদ'!

রামোসের গোলের ইতিহাসের মতই তার আজকের রামোস হয়ে ওঠার গল্পটিও বেশ বৈচিত্রময়। পুরো নাম সার্জিও রামোস গার্সিয়া। ১৯৮৬ সালের ৩০শে মার্চ স্পেনের সেভিলা প্রদেশের কালমাস শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ফুটবলের প্রতি দুর্বলতা ছিল ছোটবেলা থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় ১৪ বছর বয়সে তিনি স্থানীয় সেভিয়া এফসি ক্লাবের নজড়ে পড়েন। পারফর্মেন্স দিয়ে যুব দল থেকে দ্রুতই প্রধান দলে দলেও ডাক পান।

২০০২ সালের স্পেনের উয়েফা ইউরোপিয়ান অনূর্ধ্ব -১৯ চ্যাম্পিয়ন দলের একজন সদস্যও ছিলেন সারজিও রামোস। ২০০৩ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে সেভিয়ার প্রথম দলে অভিষেক হয় রামোসের। প্রথম মৌসমেই নিজের জাত চিনিয়ে দেন। ২৫ টি ম্যাচ খেলেন এবং একটি গোলও করেন। ২০০৩ সালে লা লীগার বর্ষসেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ফলে খুব দ্রুতই ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোর নজরে পরে প্রতিভাবান এই ডিফেন্ডারের ওপর।

তবে, স্প্যানিশ হওয়ায় আগে থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ তাকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টায় ছিল। অবশেষে ২০০৫ সালের গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোর ‘ডেডলাইন ডে’তে তৎকালীন রেকর্ড ২৭ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে সেভিলা থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন রামোস।

তবে সেসময় রিয়াল মাদ্রিদ দলে জিদান, রোনালদো, ক্যাসিয়াস, ফিগো, বেকহ্যাম, ফিগো, রাউলদের মত তারকাদের ভিড়ে ঝাঁকড়া চুলের তরুন রামোসকে নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। কিন্তু সবার বিশ্বাসটা ছিল এই তরুনের মাঝে সম্ভাবনা আছে ভবিষ্যতে একজন চাম্পিয়ন ডিফেন্ডার হওয়ার।

সেন্টার ব্যাক হিসেবে শুরু করলেও কিছুদিনের মধ্যেই রিয়াল মাদ্রিদ ও স্পেন দলে মাইকেল সালগাদোকে হটিয়ে নিজের প্রিয় রাইটব্যাক পজিশনটি দখল করে নেন। রিয়াল মাদ্রিদের ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮ ও ২০১১-১২ মৌসমের লা লীগা জয়ে রামোসের ছিল প্রত্যক্ষ অবদান। আর স্পেনের ২০০৮ ও ২০১২ সালের ইউরো এবং ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অবিছেদ্য অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন রামোস। ২০১৩ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে স্পেনের জার্সি গায়ে ১০০তম ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জন করেন তিনি।

২০১৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদের জীবন্ত কিংবদন্তি ইকার ক্যাসিয়াস যখন ক্লাব ছেড়ে যান, তখন সৃষ্টি হয় বিশাল এক শুন্যতার। তবে সেটি খেলোয়াড়ি দিক থেকে নয় কারন তার আরো আগে থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছিলেন তিনি। কিন্তু ক্যাসিয়াস তো রিয়ালের ঘরের ছেলের মতন। সেই বালক বয়সে যোগ দিয়েছিলেন ক্লাবের একাডেমিতে। ফলে ক্লাবের হাওয়া বাতাস, ইতিহাস ঐতিহ্য সবই ছিল তার মুখস্ত।

চাইলেই যে কেউ তার মত 'মিস্টার মাদ্রিদম্যান' হতে পারবেন না। রিয়াল মাদ্রিদের মত ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি ক্লাবের অধিনায়ক হওয়া এবং ক্লাবকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যেরকম ব্যাক্তিত্বের প্রয়োজন তা সবাই অর্জন করতে পারেন না বছরের পর বছর খেলে গেলেও। আর এখানেই রাউল গঞ্জালেস, ইকার ক্যাসিয়াসরা অনন্য হয়ে আছেন ক্লাবের ইতিহাসে।

ক্যাসিয়াসের প্রস্থানের পর প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী দলের সবচেয়ে সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে সারজিও রামোস নির্বাচিত হন। তার চেয়ে যোগ্য আর কেইবা হতে পারতেন? তিনি ক্লাবের একাডেমীর খেলোয়াড় নন। খেলেননি রাউল ক্যাসিয়াসদের মত ১৫-২০ বছরও।

কিন্তু ‘মাত্র’ ১০ বছরেই তিনি রিয়াল মাদ্রিদকে নিজের ভেতর ধারন করতে সমর্থ হয়েছেন। জোসে মরিনহোর আমলে ইকার ক্যাসিয়াস দল থেকে ছিটকে পড়ার পর থেকেই অধিনায়কের আর্মব্যান্ড প্রায় নিয়মিত পরেছেন। পরবর্তীতে স্পেন জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবেও তাকেই মনোনীত করা হয়েছে। কারণ আদর্শ দলনায়কের সব গুণাবলীই বিদ্যমান রামোসের মাঝে।

মাঠে দলের কোন খেলোয়াড় ফাউলের শিকার হলে সবার আগে তিনিই ছুটে যান। বিপক্ষের কোন খেলোয়াড় যদি তার সতীর্থের সাথে বচসায় লিপ্ত হন, তাতেও রামোস ছুটে যান সবার আগে। সবাই শুধু দেখে রামোস কত কত লাল আর হলুদ কার্ডের রেকর্ড গড়েছেন। কিন্ত এটা দেখেনা যে অনেক সময়ই তিনি কার্ড দেখেছেন নিজের সতীর্থের রক্ষায় কিংবা রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে। দলের প্রতি আত্ননিবেদনটা নিখাদ বলেই তিনি সবসময় একজন যোগ্য নেতার মতই সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন।

তবে এটা সত্যি যে প্রায় সময়ই রামোস অযথাই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন কিংবা অপ্রয়োজনীয় ফাউল করে দলকে বিপদে ফেলে দেন। মাত্র ১১ বছরের ক্যারিয়ারেই তিনি রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক লাল এবং হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন! আবার একই সাথে ডিফেন্ডার হয়েও করে ফেলেছেন ৭৬ টি গোলও!

রামোস এমনি এক এক চরিত্র। তিনি রেগে যাবেন, মেজাজ হারাবেন কিংবা দৃষ্টিকটু ভুল করে দলকে ডোবাবেন। আবার শেষ মুহূর্তে গোল করে কোটি কোটি ভক্তের মুখে ‘রামোস রামোস’ চিৎকার করবেন। বয়স আর অভিজ্ঞতা যতই বারুক না কেন, রামোস বদলাবেন না। বলা ভাল বদলাতে তিনি পারবেনও না।

কারণ তাতে যে তিনি আর 'রামোস' হয়ে থাকতে পারবেন না। তাতে অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের হতাশ হওয়ার কথা না। কারণ লিসবনের সেই ফাইনাল আর ন্যু ক্যাম্পের এল ক্লাসিকোর অন্তিম মুহূর্তের গোল দুটির মত এমন আরো মুহূর্ত উপহার দেয়ার সামর্থ্য আছে তো এই একজনেরই।

অথচ এই গ্রীষ্মেই তার নতুন চুক্তি নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। প্রথমদিকে ক্লাব প্রেসিডেন্ট ও বোর্ড সদস্যরা নতুন চুক্তিতে রামোসের চাহিদা মত অর্থ প্রদানে রাজি ছিলেন না। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তো ৪৪ মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হয়েই ছিল রামোসকে দলে ভেড়ানোর জন্য। তবে সামনেই ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থাকায় ক্লাব সমর্থকদের ক্ষোভকে আর বাড়াতে চাননি প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেনটিনো পেরেজ।

তাছাড়া, রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিং রুমেও এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ার সম্ভাবনা ছিল যেখানে রামোস অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব। অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ৬ বছরের নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ২০২২ সাল পর্যন্ত রিয়ালেই থেকে যান রামোস।

ভাগ্যিস ওজিল, মারিয়া, আলোন্সোদের মত রামোসকে ক্লাব ছাড়তে দেননি পেরেজ। নইলে 'মিস্টার ৯২:৪৮’ খ্যাত রামোস বারবার হারতে বসা ম্যাচের শেষ মিনিটে গোল করে সমর্থকদের মুখে হাঁসি ফোটানোর সুযোগও আর পেতেন না। ক্যারিয়ারে শুরু থেকেই গ্যালোকটিকোদের ভিড়ে থেকে সেভাবে কখনই সেভাবে আলোচনায় আসতে পারেননি। কিন্তু নিজের কাজটা ঠিকই পালন করে গেছেন দায়িত্বের সাথেই।

তবে, ২০১৪ আর ২০১৬ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দু’টি ফাইনাল, ২০১৪ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল, ২০১৬ সালের উয়েফা সুপার কাপ ফাইনাল এবং ২০১৬ সালের উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালের ৫ টি মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ৫ টি গোল করে নিজেকে চিনিয়ে দিয়েছেন বারবার। রামোসরা এভাবেই জায়গা করে নেন ইতিহাসের পাতায়। নিজেদের চেনাতে তাদের প্রয়োজন হয়না কোন ব্যালন ডি অরের।

Category : ফিচার
Share this post