টাইটান্সদের আক্ষেপ ঘুচানোর পালা

উদয় সিনা
অক্টোবর ৩১, ২০১৭
এবারো সম্ভাবনার দুয়ারে খুলনা টাইটান্স। এবারো সম্ভাবনার দুয়ারে খুলনা টাইটান্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরের দ্বিতীয় রানারআপ তাঁরা। যদিও আসর শুরু হওয়ার আগে তেমন আলোচনায় ছিল না মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স। তবে সময় যত গড়াতে থাকে ততই আলোচনার হিড়িক পড়ে যায় তাদের নিয়ে।

আসরের শুরুতে কাগজেকলমে পিছিয়ে থেকেও পরবর্তীতে টাইটান্সদের আলোচনায় আশাটা কিন্তু তাদের পারফরম্যান্সের কারণেই। ব্যাটসম্যানদের খেলা টি-টোয়েন্টিতে কিভাবে বোলারদের নিয়ে লড়াই করে সফল হওয়া যায় সেই দৃষ্টান্তই গত বিপিএলে স্থাপন করে গেছে খুলনা টাইটান্স। সেদিকে একটু আলোকপাত করা যাক।

বিপিএলের চতুর্থ আসরের গ্রুপ পর্বে খেলা ১২টি ম্যাচের ৭টিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে প্লে-অফ নিশ্চিত করে খুলনা টাইটান্স। এই ১২টি ম্যাচে মাত্র ৩ বার তাঁরা দেড়শ পেরোতে পেরেছে এবং এই ৩টি ম্যাচেই জয় পেয়েছে যার মধ্যে দু'টিতে ছিল বোলারদের মুখ্য অবদান। বাকি ৪টি জয়ের ৩টি এসেছিল সেই বোলারদের কল্যাণেই।

ওই ৩টি ম্যাচে ১৩৩, ১২৭ ও ১৪৪ রান করে জয় পায় তাঁরা। এই ৩টি জয়ের মধ্যে ১ম দু'টিতে শেষ ওভারে ৭ ও ৬ রান ডিফেন্ড করে ৩ ও ৪ রানের জয় পায় খুলনা টাইটান্স। জুনায়েদ খান, শফিউল ইসলাম, কেভন কুপার, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মোশারফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত খুলনার বোলিং আক্রমণ ছিল গত আসরের অন্যতম শক্তিশালী। গত বিপিএলের খুলনা দলটাই ছিল মূলত বোলিংনির্ভর। যে কারণে একের পর এক ম্যাচে  ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হলেও ম্যাচশেষে তাঁরা ঠিকই জয়ের বেশে ফিরতেন বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে।

তবে এবারের আসরে আর গতবারের মত বোলিংনির্ভর দল নিয়ে মাঠে নামছে না খুলনা টাইটান্স। ব্যাটিং, বোলিং উভয় বিভাগে সমান শক্তি নিয়ে দল গঠন করেছে তাঁরা। উভয় বিভাগেই রয়েছে বেশকয়েকজন তারকা ক্রিকেটার। আর এই তারকাসমৃদ্ধ দলের নেতৃত্বে যিনি রয়েছেন তিনি বিপিএলের ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

বিপিএলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় আসরে তাঁর নেতৃত্বেই দুইবার ফাইনাল খেলে  দুর্ভাগ্যক্রমে দুইবারই রানার্স-আপ হয় চিটাগং কিংস ও বরিশাল বুলস। গত আসরেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে খুলনকে তিনি পৌঁছে দেন প্লে-অফে। মিডিওকার একটি দলকে প্লে-অফ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার পেছনে যেমন রয়েছে তাঁর চৌকস নেতৃত্বগুণ তেমনি রয়েছে ব্যাটে-বলে তাঁর পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা।

ব্যাটিং, বোলিং ও নেতৃত্বগুণে গত আসরে তিনি শুধু খুলনারই সেরা খেলোয়াড় ছিলেন না, হয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরাও। ব্যাট হাতে ১৪ ম্যাচে ৩৩ গড়ে ৩৯৬ রান ও বল হাতে ১০ উইকেট নেয়ায় টুর্নামেন্ট সেরার মুকুট ওঠে রিয়াদের মাথায়। এই উইকেট সংখ্যা দিয়ে অবশ্য বল হাতে রিয়াদের কার্যকারীতাকে বিচার করা যাবে না। তার জন্য ওই দুটি লো স্কোরিং ম্যাচের কথা আরেকবার স্মরণ করতে হবে যেখানে তাঁর বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচের শেষ ওভারে ৭ ও ৬ রান ডিফেন্ড করে যথাক্রমে ৩ ও ৪ রানের জয় পেয়েছিল খুলনা টাইটান্স।

বিপিএলে বরাবরই ব্যাট হাতে উজ্জ্বল মাহমুদুল্লাহ যার ধারাবাহিকতা বজায় ছিল গত আসরেও। ৩৯৬ রান করে আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল তাঁর অবস্থান। এখন পর্যন্ত বিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায়ও তিনি দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন। ৫১ ম্যাচে ১০৮৮ রান করে মুশফিকের পরেই তিনি আছেন বিপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায়। দায়িত্বশীল ব্যাটিং, বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং ও অসাধারণ নেতৃত্বগুণে খুলনার সেরা খেলোয়াড়টি যে গতবারের চেয়ে বেশি ভারসাম্যপূর্ণ এ দলটিকে এবারও শিরোপার দিকে টেনে নিয়ে যাবেন তা নিশ্চয়ই আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেলে এবারের বিপিএলের জন্য একটি শক্তিশালী দল গড়েছে খুলনা টাইটান্স। ব্যাটিং, বোলিং দুই বিভাগেই তাদের রয়েছে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সংমিশ্রণ। দেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে তরুণদের ও বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের আধিক্য খুলনার স্কোয়াডে। দলে রয়েছে কয়েকজন টি-২০ স্পেশালিস্ট ক্রিকেটার যারা নিজেদের দিনে যেকোন প্রতিপক্ষকে একাই গুড়িয়ে দিতে পারেন। তেমনি একজন ক্রিকেটার মাইকেল ক্লিঙ্গার।

৫১ ম্যাচে ৩৬.৫৪ গড়ে ১৬০৮ রান করে তিনি রয়েছেন বিগ ব্যাশ লিগের (বিবিএল) সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের তালিকার একদম চূড়ায়। পাওয়ারপ্লের ফিল্ডিং রেস্ট্রিকশন কাজে লাগিয়ে যতটা সম্ভব বাউন্ডারি বের করতে দক্ষ এই অজি ওপেনার। সর্বোপরি নিখুঁত টাইমিং ও প্লেসমেন্টে বাউন্ডারি বের করার পাশাপাশি ওপেনিংয়ে বড় ইনিংস খেলার অভিজ্ঞতা র‍য়েছে তাঁর। বিবিএলের সবশেষ আসরেও ব্যাট হাতে সফল ছিলেন ক্লিঙ্গার। ১০ ম্যাচে ৩৩৪ রান করে হয়েছিলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তাছাড়া ২০১৭ ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ১৩৭.০৭ স্ট্রাইকক রেটে রান তোলার পাশাপাশি একটি শতকও হাকিয়েছেন তিনি।

ডেভিডের মালানের অনুপস্থিতিতে ওপেনিংয়ে ক্লিঙ্গারের পার্টনার হতে পারেন সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা উইন্ডিজের চ্যাডউইক ওয়ালটন। এবারের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) সেরা খেলোয়াড়  হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। ১২ ম্যাচে ৪১.৬৩ গড়ে ৪৫৮ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও বনে যান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। ওপেনিংয়ে বিকল্প হিসেবে অথবা ৩ নাম্বারের জন্য ভালো চয়েজ হতে পারেন দক্ষিণ আফ্রিকান রাইলি রুশো।

গত পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ৪২.৫০ গড়ে ২৫৫ রান তুলে তিনি ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের ৫ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায়। তবে খুলনা টাইটান্স ৩ নাম্বারে সবচেয়ে বেশি মিস করবে বিবিএলে ১৫৪ গড় ও ১৭৭ স্ট্রাইকরেটে রান তোলা বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ক্রিস লিনকে। বাঁ-কাঁধের চোটের কারণে এবারের বিপিএলে খেলা হচ্ছে না তাঁর। ৩ নাম্বারের জন্য খুলনার আরেকটি অপশন হতে পারে তরুণ নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে বর্তমানে সেরা সময় পার  করা এ ব্যাটসম্যান এইচপি দলের হয়ে গত ইংল্যান্ড সফরে করেছিলেন টানা ২ট সেঞ্চুরি। তারও আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ২টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ৩৭.৯২ গড়ে করেছিলেন ৫৩১ রান। আর ৪ নাম্বারের জায়গাটি তোলা থাকবে একমাত্র মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জন্য। সেইসাথে জাতীয় লিগে সবচেয়ে কম বয়সী ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্বিশতক হাকানো সাইফ হাসান, বাংলাদেশ যুব দলের পরীক্ষিত ব্যাটসম্যান আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং শ্রীলঙ্কার শিহান জয়সুরিয়াও আছেন খুলনার টপ অর্ডারে।

টপ অর্ডারের মত টাইটান্সদের মিডল অর্ডারও বেশ গুছানো। ইয়াসির আলি, সরফরাজ আহমেদ, সিকুগে প্রসন্ন, আরিফুল হক, মুক্তার আলি, ধীমান ঘোষ, কার্লোস ব্রাথওয়েট ও বেনি হাওলদের নিয়ে গড়া মিডল অর্ডার স্বস্তিতেই রাখবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। সদ্য সমাপ্ত আয়ারল্যান্ড 'এ' দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ 'এ' দলের হয়ে ২ ম্যাচ খেলে ১টি সেঞ্চুরি পেয়েছেন ইয়াসির আলি।

স্লগ ওভারে বিধ্বংসীরূপ ধারন করা সিকুগে প্রসন্ন গত আসরেই নিজের জাত চিনিয়েছেন। ঢাকা ডায়নামাইটসের জার্সি গায়ে সবশেষ বিপিএলে ৯ ম্যাচে ৩০ গড়ে তিনি করেছেন ১৫০ রান যেখানে তাঁর ঈর্ষনীয় স্ট্রাইকরেট ১৮৭.৫০! পিঞ্চ হিটিংয়ে অনন্য নিদর্শন স্থাপন করে, দৃষ্টিনন্দন চার-ছক্কার পসরা সাজিয়ে খুলনার বিপক্ষে গত বিপিএলের একটি ম্যাচে মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতকও হাকিয়েছেন এই লঙ্কান।

পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও আছেন নির্ভরতার একটি বড় জায়গাজুড়ে। পিঞ্চ হিটার না হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখেশুনে রান তুলতে পারার দক্ষতা রয়েছে তাঁর। স্ট্রাইক রোটেট করে খেলার পাশাপাশি বাউন্ডারি বের করে সহজেই ভালো একটি স্ট্রাইকরেট বজায় রাখতে পারেন তিনি। মিডল অর্ডারে আরেক মারকুটে ব্যাটসম্যান উইন্ডিজের অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট।

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে বেন স্টোকসের ৪ বলে ৪ ছক্কা হাকানোর ঘটনা মনে থাকলে তাকে নিয়ে আর আলাদা করে কিছু বলতে হবে না। আরিফুল হক ও বেনি হাওল মিডল অর্ডারে খুব একটা খারাপ ব্যাটিং করেন না যে কারণে এ বছর তাদের দলে ধরে রেখেছে খুলনা টাইটান্স। ঘরোয়া ক্রিকেটে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাকানো মুক্তার আলি ও অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ধীমান ঘোষও আছেন মিডল অর্ডারের শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য।

শক্তিমত্তার দিক দিয়ে ব্যাটিংয়ের চেয়ে বোলিংয়ে কোন অংশে পিছিয়ে নেই টাইটান্সরা। বোলিংয়ের শুরুতেই  সবার আগে আসে জুনায়েদ খানের নাম। বল হাতে গত আসরে ছড়ি ঘুরানো এই পেসার টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ উইকেট সংগ্রহ করেন। উইকেট তোলার পাশাপাশি রান আটকাতেও বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ডেথ ওভারে গতি, সুইং ও ইয়র্কারের কারিশমায় খাবি খাইয়েছেন গত বিপিএলের সিংহভাগ ব্যাটসম্যানকে।

টুর্নামেন্টে তাঁর ৬.০৯ ইকোনোমি ছিল চোখে পড়ার মত। জুনায়েদ খানকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেন বাংলাদেশের পেসার শফিউল ইসলাম। গত আসরে বাংলাদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ উইকেট সংগ্রহ করেন তিনি। তাছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ পেসার ও কাউন্টি ক্রিকেটে নিয়মিত খেলা কাইল অ্যাবট, কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্সের হয়ে খেলা উইন্ডিজের তরুণ জোফরা আর্চার, সদ্য সমাপ্ত আয়ারল্যান্ড 'এ' দলের বিপক্ষে ২ ম্যাচে ৫ উইকেট নেয়া ইমরান আলি, ঢাকার হয়ে গত আসরে চমক দেখানো আবু জায়েদ রাহি, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, বেনি হাওল,  মুক্তার আলি ও আরিফুল হককে নিয়ে শক্তিশালি পেস আক্রমণই গঠন করেছে খুলনা টাইটান্স।

৪ জন অফস্পিনার ও ২ জন লেগস্পিনার নিয়ে তাদের স্পিন বিভাগও বেশ সমৃদ্ধ। সেখানে আছেন বল হাতে গত আসরে সাড়া ফেলে দেয়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আরো আছেন বিপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক মোশারফ হোসেন রুবেল, বিপিএলে অভিষেক ম্যাচেই ৫ উইকেট তুলে নিয়ে সবাইকে চমকে দেয়া আফিফ হোসেন ধ্রুব, টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক সিরিজেই ম্যান অব দ্য সিরিজ নির্বাচিত হওয়া লেগস্পিনার শাদাব খান, লঙ্কান লেগি সিকুগে প্রসন্ন ও শিহান জয়সুরিয়া।

সবমিলিয়ে এবারের আসরে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠন করেছে খুলনা টাইটান্স। ব্যাটিং, বোলিং কোন বিভাগেই নেই তেমন কোন ঘাটতি। তাই গত আসরের চেয়ে এবার মাঠে লড়াই করার কাজটা একটু হলেও সহজ হবে তাদের জন্য। আর এ লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব যাকে পালন করতে হবে তিনি দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একজন নেতা হিসেবে, একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে, একজন বোলার হিসেবে এবং দলের একজন সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে তাকে সর্বোচ্চ চেষ্টাটা চালিয়ে যেতে হবে। তবেই যে অধরা ট্রফিটি তাঁর কাছে ধরা দেয়ার পাশাপাশি শিরোপা বন্ধ্যাত্ব ঘুচবে  রূপসা পাড়ের এ দলটির।

খুলনা টাইটান্স স্কোয়াড

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রব, নাজমুল হোসেন শান্ত, ইয়াসির আলি, ইমরান আলি, মুক্তার আলি, ধীমান ঘোষ, আবু জায়েদ রাহি, আরিফুল হক, শফিউল ইসলাম, মোশারফ হোসেন রুবেল, মাইকেল ক্লিঙ্গার, সরফরাজ আহমেদ, রাইলি রুশো, চ্যাডউইক ওয়ালটন, শিহান জয়সুরিয়া, সিকুগে প্রসন্ন, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, বেনি হাওল, শাদাব খান, কাইল অ্যাবট, জুনায়েদ খান ও জোফরা আর্চার।

Category : ফিচার
Share on your Facebook
Share this post